অ্যাপল এ মাসে ডেভেলপার সম্মেলনে আইওএস ১৭ ঘোষণা করেছে; ডেভেলপার বেটা এসেছে, পাবলিক বেটা জুলাইয়ে, আর রিলিজ আসে সেপ্টেম্বরে নতুন আইফোনের সঙ্গে। বেশির ভাগ কভারেজ স্ট্যান্ডবাই ও নেমড্রপ নিয়ে। কম প্রচারিত সংযোজনের চারটি গোপনীয়তা নিয়ে, আর তার একটি এমন সমস্যার সমাধান, যা বাংলাদেশি নারীরা অন্য যেকোনোটির চেয়ে বেশি বর্ণনা করেন।
১. সেনসিটিভ কনটেন্ট ওয়ার্নিং
অযাচিত নগ্ন ছবি—বাসস্ট্যান্ডে এয়ারড্রপে অপরিচিতের পাঠানো, প্রাক্তনের, আপনার নম্বর পাওয়া কোনো অ্যাকাউন্টের—আসবে ঝাপসা হয়ে, সতর্কবার্তা ও দেখার বা মোছার সুযোগসহ। কাজ করে মেসেজেস, এয়ারড্রপ, কন্ট্যাক্ট পোস্টার, ফেসটাইম বার্তা ও গ্রহণ করা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপে, আর শনাক্তকরণ চলে ফোনে; অ্যাপল ছবিটি দেখে না। এটি অ্যাপলের ২০২১ সালে গড়া শিশু-সুরক্ষা সুবিধার সম্প্রসারণ, এখন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সেটিংস → প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি → সেনসিটিভ কনটেন্ট ওয়ার্নিংয়ে। ছবির পাশাপাশি ভিডিওও ধরে।
২. ছবি ধরে ধরে ফটো অ্যাকসেস
আইওএস ১৪ থেকে অ্যাপকে পুরো লাইব্রেরির বদলে ‘বাছাই করা ছবি’ দেওয়া যায়। আইওএস ১৭ পিকারটি পরিষ্কার করে আর কোন অ্যাপের পূর্ণ অ্যাকসেস আছে তার পর্যায়ক্রমিক স্মারক যোগ করে—যে সেটিং বেশির ভাগ মানুষ ২০২০ সালে একটি ছবি-সম্পাদনার অ্যাপকে একবার দিয়ে ভুলে গেছেন। একটি ছবি জুড়তে চাওয়া কেনাকাটা বা বার্তার অ্যাপ এখন একটি ছবিই পাবে।
৩. লক হওয়া প্রাইভেট ব্রাউজিং
সাফারির প্রাইভেট ট্যাব ব্রাউজার ছাড়লে এখন ফেস আইডি বা টাচ আইডির পেছনে লক হয়, তাই কাউকে ফোন দেওয়া মানে আর আপনার প্রাইভেট ট্যাব দেওয়া নয়। প্রাইভেট মোড কেবল ইতিহাস না রাখার বদলে জানা ট্র্যাকারকে আদৌ লোড হতে দেয় না।
৪. অ্যাডভান্সড ট্র্যাকিং ও ফিঙ্গারপ্রিন্টিং সুরক্ষা
ওয়েবসাইট কুকি ছাড়াই আপনাকে চেনে ফোনের মডেল, পর্দা, ফন্ট ও সেটিং পড়ে—একটি ‘আঙুলের ছাপ’—আর আপনি যে লিংকে ট্যাপ করেন তাতে ট্র্যাকিং কোড যোগ করে। প্রাইভেট ব্রাউজিংয়ে ডিফল্টে, আর চালু করলে (সেটিংস → সাফারি → অ্যাডভান্সড) সব ব্রাউজিংয়ে, সাফারি এখন লিংক থেকে সেই ট্র্যাকিং প্যারামিটার ছাঁটে আর প্রকাশ করা যন্ত্রের বিবরণ সীমিত করে, যাতে আপনার আইফোন অন্য প্রতিটি আইফোনের মতো দেখায়।
বাংলাদেশের কথা
ছবিভিত্তিক হয়রানি নারীদের জন্য পুলিশের সাইবার-সাপোর্ট ডেস্কে সবচেয়ে সাধারণ অভিযোগ, আর এর বড় অংশ ফাঁস হওয়ার বদলে অযাচিত ছবি। পৌঁছালেই ঝাপসা করা ফোন প্রেরককে থামায় না, কিন্তু পাঠানোর যে উদ্দেশ্য সেই ধাক্কাটি কেড়ে নেয়, আর প্রাপককে না দেখেই প্রমাণ দেয়। এটি সেই বিরল গোপনীয়তা সুবিধা, যা বিজ্ঞাপনদাতা নিয়ে নয়। এক্সএস থেকে পরের প্রতিটি আইফোন সেপ্টেম্বরে তা পায়।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, প্রথম আলোর বরাতে।




