প্রযুক্তি

আইওএস ১৮ আইফোন ১১-এ চলে, কিন্তু এর সেরা সুবিধাগুলো চলে না: কোন আইফোন পায় অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স, আইট্র্যাকিং ও লাইভ ট্রান্সক্রিপশন

অ্যাপলের নতুন সিস্টেম আইফোন ১১ ও দ্বিতীয় প্রজন্মের এসই পর্যন্ত সবকিছুতে বসে, কিন্তু অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ও সিরিতে চ্যাটজিপিটিতে লাগে আইফোন ১৫ প্রো, আইট্র্যাকিং ও নোটস ট্রান্সক্রিপশনে আইফোন ১২, আর ১১-এ পৌঁছায় কেবল হ্যান্ডস-ফ্রি আনলক ও এনহ্যান্সড ডায়ালগ। পূর্ণ তালিকা, আর বাংলাদেশের বেশির ভাগ আইফোন ব্যবহারকারী আইফোন ১১–১৩-এর মালিকদের জন্য এর মানে।

আইওএস ১৮ আইফোন ১১-এ চলে, কিন্তু এর সেরা সুবিধাগুলো চলে না: কোন আইফোন পায় অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স, আইট্র্যাকিং ও লাইভ ট্রান্সক্রিপশন

জুনের ডব্লিউডব্লিউডিসিতে অ্যাপল ঘোষণা করে আইওএস ১৮ আর, প্রথমবারের মতো, নিজের পণ্যসারির মাঝ দিয়ে একটি দাগ টানে। সিস্টেমটি নিজে বসে আইফোন ১১ ও দ্বিতীয় প্রজন্মের আইফোন এসই পর্যন্ত প্রতিটি আইফোনে—আইওএস ১৭-এর মতোই তালিকা। কিন্তু প্রধান সুবিধাগুলো চিপ অনুযায়ী স্তরে ভাগ, আর সবচেয়ে নতুন স্তরটি খুব ছোট। সেপ্টেম্বরে আপডেট এলে প্রতিটি ফোন যা পায়।

কেবল আইফোন ১৫ প্রো ও ১৫ প্রো ম্যাক্স

অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স—লেখা খসড়া ও পুনর্লিখন করা রাইটিং টুল, নোটিফিকেশনের সারসংক্ষেপ, ছবি তৈরি, প্রসঙ্গ বোঝা ও অ্যাপের ভেতরে কাজ করা সিরি—লাগে এ১৭ প্রো চিপ ও ৮ গিগাবাইট মেমোরি, যার মানে গত বছরের দুটি প্রো মডেল আর তার পুরোনো কিছু নয়। সিরিতে চ্যাটজিপিটির জন্যও তা-ই—যে ব্যবস্থায় সিরি আপনার অনুমতিতে কঠিন প্রশ্ন ওপেনএআইকে দেয়। একই সময়ে বিক্রি হওয়া আইফোন ১৫ ও ১৫ প্লাস বাদ; সেগুলোয় ৬ গিগাবাইট।

আইফোন ১২ ও পরে

উল্লেখযোগ্য তিনটি সুবিধায় লাগে এ১৪ বা নতুন চিপ। নোটসে লাইভ অডিও ট্রান্সক্রিপশন রেকর্ড করতে করতে, বা আগের রেকর্ডিং থেকে, প্রতিলিপি লেখে। ভিশন প্রো থেকে ধার করা আইট্র্যাকিং সামনের ক্যামেরায় দৃষ্টি দিয়ে ফোন নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়—একটি অ্যাকসেসিবিলিটি সুবিধা, আর অসাধারণ। মিউজিক হ্যাপটিকস বধির ও কম শোনা শ্রোতাদের জন্য ফোনের কম্পন মোটরে গান বাজায়।

আইফোন ১১ ও পরে

বাকি সব। স্মার্ট তালার জন্য হোম অ্যাপে হ্যান্ডস-ফ্রি দরজা আনলক; ভিডিওতে পেছনের শব্দের ওপরে কথা তোলা এনহ্যান্সড ডায়ালগ; আর আইওএস ১৮-এর দৃশ্যমান পুনর্নকশার পুরোটা—যেকোনো জায়গায় আইকনসহ কাস্টমাইজযোগ্য হোম স্ক্রিন, রঙে রাঙানো আইকন, নতুন কন্ট্রোল সেন্টার, পাসওয়ার্ডস অ্যাপ, অ্যান্ড্রয়েডের সঙ্গে আরসিএস বার্তা, আর ফটোজের ঢেলে সাজানো। সেটিই আপডেটের বেশির ভাগ, আর তা চলে পাঁচ বছরের পুরোনো ফোনে।

বাংলাদেশে এর মানে

আইফোন ১৫ প্রো এখানে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকার ফোন, আর দেশের বেশির ভাগ আইফোন নতুন বা রিফার্বিশড কেনা ১১, ১২ ও ১৩। তাদের জন্য আইওএস ১৮ ভালো আপডেট—হোম স্ক্রিন, আরসিএস ও ফটোজই একে ন্যায্য করে—কিন্তু অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স আসছে না, আর তা বদলানোর কোনো সেটিং বা কৌশল নেই। বাংলাও নয়: অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স আসে কেবল মার্কিন ইংরেজিতে, আর ২০২৫ সালের ভাষার তালিকায় বাংলা নেই। ব্যবহারিক পরামর্শ: আপনার হাতের ফোনকে যা দেয় তার জন্য সেপ্টেম্বরে আপডেট নিন, আর যে এআই সুবিধা আরও কিছুদিন আপনার ভাষায় কথা বলবে না তার জন্য ১৫ প্রো কিনবেন না।

সূত্র: নাইনটুফাইভম্যাক, প্রথম আলোর বরাতে।

সূত্র: Prothom Alo

লিখেছেন

Tech BD

টেক বিডি সম্পাদকীয় দল।