বাংলাদেশ
বোর্ড ধরে ধরে: কুমিল্লায় ৪৮.০৪%, সিলেটে ১৩ বছরের সর্বনিম্ন, কারিগরিতে ৪৯.৪৩%
এগারোটি বোর্ড, আর যেগুলো জানিয়েছে সেগুলো আছে সরু ও সমানভাবে নিচু একটি ধাপে। ছকটি ভাঙে মাদ্রাসা বোর্ড।
এগারোটি বোর্ড, আর যেগুলো জানিয়েছে সেগুলো আছে সরু ও সমানভাবে নিচু একটি ধাপে। ছকটি ভাঙে মাদ্রাসা বোর্ড।
দুটি পরিসংখ্যান দুই দিকে ইশারা করে, আর কৌতূহলোদ্দীপক অংশটি যেকোনো একটি সংখ্যা নয়—দুটির মধ্যকার ব্যবধান।
গড় যা বলে, বণ্টন বলে তার চেয়ে বেশি। এক প্রান্ত দুই বছরে চার গুণ হয়েছে; অন্য প্রান্ত এক বছরেই হারিয়েছে তিন-পঞ্চমাংশ।
গতবারের চেয়ে ৪২ শতাংশ কম, আর গতবারই ছিল তার আগের বছরের অর্ধেকেরও কম। গ্রেড বণ্টনের শীর্ষ পরপর দুবার চেহারা বদলেছে।
গতবার পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। নথিতে এর চেয়ে কম কেবল ২০০৪ সালে, যখন পরীক্ষা হতো এগারোটি নয়—সাতটি বোর্ডের অধীনে।