প্রযুক্তি

হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার ও শেনজেন সফর জিতলেন ছয় শিক্ষার্থী—তাঁরা কারা, কর্মসূচিটি কী, আর একটি চীনা টেলিকম প্রতিষ্ঠান কেন এটি চালায়

৬০০-র বেশি স্নাতক আবেদনকারী থেকে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ বাছল মোহাম্মদ আজমাঈন ও অর্পন সাহা (ঢাবি), আল মুমতাহিনা ও সাজিদ আহমদ চৌধুরী (আইইউটি), ফারসিয়া কাওসার চৌধুরী (বুয়েট) ও মায়িশা ফারজানাকে (রুয়েট) চীনে সদর দপ্তরে প্রশিক্ষণে। এখানে দশম বছরে কর্মসূচিটি হুয়াওয়ের প্রধান সফট-পাওয়ার চর্চা: বিজয়ীরা আসলে কী করেন, আগের প্রাক্তনদের জন্য কী করেছে, আর বিমানে ওঠার আগে শিক্ষার্থীর যে ভূরাজনীতি বোঝা উচিত।

হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার ও শেনজেন সফর জিতলেন ছয় শিক্ষার্থী—তাঁরা কারা, কর্মসূচিটি কী, আর একটি চীনা টেলিকম প্রতিষ্ঠান কেন এটি চালায়

হুয়াওয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকার হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে তার সিডস ফর দ্য ফিউচার কর্মসূচির ছয় বাংলাদেশি বিজয়ীর নাম ঘোষণা করল। তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহাম্মদ আজমাঈনঅর্পন সাহা, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির আল মুমতাহিনাসাজিদ আহমদ চৌধুরী, বুয়েটের ফারসিয়া কাওসার চৌধুরী ও রুয়েটের মায়িশা ফারজানা৬০০-র বেশি স্নাতক শিক্ষার্থী আবেদন করেন; জমা দেওয়া প্রযুক্তি প্রকল্পের জোরে ছয়জন বাছাই হন, আর এখন তাঁরা কোম্পানির সর্বশেষ প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণে যাবেন চীনে হুয়াওয়ের সদর দপ্তরে।

কর্মসূচিটি কী

সিডস ফর দ্য ফিউচার হুয়াওয়ের বৈশ্বিক শিক্ষার্থী কর্মসূচি, ২০০৮ থেকে ১৩০-এর বেশি দেশে চলছে আর বাংলাদেশে দশম বছরে। ফরম্যাট কোম্পানির শেনজেন ক্যাম্পাসে ও বেইজিংয়ে এক-দুই সপ্তাহ: হুয়াওয়ের প্রকৌশলীদের পড়ানো ফাইভ-জি, ক্লাউড ও এআইয়ের কারিগরি কোর্স, একটি দলগত প্রকল্প, কোম্পানির ল্যাব সফর, আর সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। আগের আসর মহামারিতে অনলাইনে চলেছে; এটি ভ্রমণে ফিরছে। প্রাক্তনরা বলেন কারিগরি বিষয়বস্তু আসল কিন্তু টেকসই মূল্য নেটওয়ার্ক—শেনজেনে দেখা হওয়া কয়েক শ দক্ষিণ এশীয় প্রকৌশলীর একটি দল, আর সিভিতে একটি লাইন, যা হুয়াওয়ের আঞ্চলিক নিয়োগ ব্যবস্থাপকেরা চেনেন।

একটি টেলিকম ভেন্ডর কেন এটি করে

‘হুয়াওয়ে উন্নত ও সংযুক্ত পৃথিবী গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ,’ বলেন হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সিইও প্যান জুনফেং, লক্ষ্য বর্ণনা করেন বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা ও দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে ভূমিকা দেওয়া হিসেবে। তা সত্য আর পুরো উত্তরও নয়। হুয়াওয়ে বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতির বড় অংশ সরবরাহ করে—গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক সবাই এর যন্ত্রে চলে—আর নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ইউরোপের বেশির ভাগ নেটওয়ার্ক থেকে বাদ। এমন কর্মসূচি যে বাজার খোলা আছে সেখানে সদিচ্ছা গড়ে, সেই প্রকৌশলীদের মধ্যে যাঁরা একদিন ক্রয়ের বৈঠকে বসবেন। প্রধান অতিথি ছিলেন চীনা দূতাবাসের কাউন্সিলর সং ইয়াং; কর্মসূচিটি, দ্ব্যর্থহীনভাবে, এখানে চীনের উপস্থিতির অংশ।

শিক্ষার্থীদের জন্য

এর কোনোটিই না যাওয়ার কারণ নয়। প্রশিক্ষণ ফ্রি, অভিজ্ঞতা সত্যিকারের, আর হুয়াওয়ের প্রাক্তন এরিকসন বা নোকিয়ায় হুয়াওয়ের মতোই চাকরিযোগ্য। বিমানে ওঠার আগে বোঝার একটি জিনিশ যে সফরটি কোর্সের পাশাপাশি নিয়োগ ও জনসংযোগের চর্চাও, আর ছবিগুলো ব্যবহৃত হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউটির উপাচার্য মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

সূত্র: Prothom Alo

লিখেছেন

Tech BD

টেক বিডি সম্পাদকীয় দল।