বাংলাদেশি মোবাইল সংযোগ থেকে ভিডিও পোস্ট করেন এমন যে কেউ আচারটি জানেন: শেয়ার ট্যাপ করুন, তারপর ইনস্টাগ্রাম খোলা রেখে ফোন এক-দুই মিনিট স্থির ধরে থাকুন, কারণ হোয়াটসঅ্যাপে গেলে প্রায়ই আপলোড থমকে যায়। ইনস্টাগ্রাম এখন এমন সমাধান পরীক্ষা করছে, যা আইফোন থেকেই একটি সুবিধা ধার করে। লাইভ অ্যাকটিভিটিসে আপলোডের প্রগ্রেস বার সরে লক স্ক্রিনে ও ডায়নামিক আইল্যান্ডে, যেখানে আপনি অন্য কিছু করলে বা ফোন পকেটে রাখলেও তা হালনাগাদ হতে থাকে।
লাইভ অ্যাকটিভিটিস কী
অ্যাপল গত সেপ্টেম্বরে আইওএস ১৬-এ আনে: অ্যাপের বাইরে—লক স্ক্রিনে আর, আইফোন ১৪ প্রো-তে, পর্দার ওপরের পিলে—একটি লাইভ, বদলানো তথ্য দেখানোর উপায়: ট্যাক্সি পৌঁছানোর সময়, ক্রিকেটের স্কোর, টাইমার। অ্যাপ পেছনে কাজ চালায় আর সিস্টেম অবস্থা আঁকে। উবার, ফুডপান্ডা ও খেলার অ্যাপ আগেভাগে নেয়। ইনস্টাগ্রাম, যত দূর কেউ পেয়েছে, আপলোডে এটি ব্যবহার করা প্রথম বড় সামাজিক অ্যাপ।
যেভাবে কাজ করবে
পোস্ট বা রিল শুরু করুন, শেয়ার ট্যাপ করুন, আর অ্যাপের ভেতরের বারের বদলে লক স্ক্রিনে একটি কার্ড দেখবেন: থাম্বনেইল, প্রগ্রেস বার, ‘আপলোডিং…’, তারপর শেষে ‘পোস্টেড’। ইনস্টাগ্রাম সামনে থাকুক বা না থাকুক আপলোড চলে। সুবিধাটি আইওএস ১৬-এ সীমিত ব্যবহারকারীদের নিয়ে পরীক্ষায়; অ্যান্ড্রয়েডে হুবহু সমতুল্য নেই, যদিও অ্যান্ড্রয়েড ১৪-এর চলমান-নোটিফিকেশনের বদল পরে একই রকম কিছু দেবে।
এখানে কেন বেশি জরুরি
সান ফ্রান্সিসকোয় ইনস্টাগ্রাম আপলোডে লাগে চার সেকেন্ড আর কেউ কখনো প্রগ্রেস বার দেখেনি। ঢাকায়, ভালো বিকেলে ৫ এমবিপিএস আর ভিড়ে কম দেওয়া ফোর-জিতে, এক মিনিটের রিল ৬০–১২০ সেকেন্ডের অপেক্ষা, আর তা পোস্ট করা দোকানমালিক—বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের বিশাল অংশ ছোট ব্যবসা—চলাকালে হোয়াটসঅ্যাপে খদ্দেরকে জবাব দিতে পারেন না। পেছনে আপলোড শেষ হতে দেওয়া সেই ব্যবহারকারীর জন্য ঘণ্টায় তিনটি পণ্য পোস্ট করা আর একটি করার পার্থক্য। দ্রুত নেটওয়ার্কের জন্য নকশা করা ছোট সুবিধা, যা ধীর নেটওয়ার্কে বড় হয়ে ওঠে।
ইতিমধ্যে
আসার আগ পর্যন্ত: মোবাইল ডেটার চেয়ে ওয়াই-ফাইয়ে আপলোড অ্যাপ বদল ভালো সহ্য করে, আর অ্যান্ড্রয়েডে ইনস্টাগ্রামের ‘আপলোড অ্যাট হায়ার কোয়ালিটি’ সেটিং (সেটিংস → ডেটা ইউসেজ) খারাপ সংযোগে বন্ধ করার মতো—ফোনে কেউ দেখে না এমন পার্থক্যে ফাইলের মাপ দ্বিগুণ করে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, প্রথম আলোর বরাতে।




