এই তারিখে তিনটি জিনিস, যা গড়েছে বাংলাদেশিরা কম্পিউটারে কীভাবে কাজ করেন—একটি ভবন, একটি ফরম, একজন মানুষ—আর চতুর্থটি, যা মনে করায় সফটওয়্যার কী ভাঙতে পারে।
২০০২: ইনকিউবেটর
২০০২ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন বিজ্ঞান ও আইসিটি মন্ত্রণালয় ১২ কারওয়ান বাজারের বিএসআরএস ভবনে খোলে দেশের প্রথম আইসিটি ইনকিউবেটর: তৃতীয় থেকে নবম তলা ও একাদশের অংশ, প্রায় ৭০ হাজার বর্গফুট, ঢাকার সফটওয়্যার কোম্পানি তখন যে দুটি জিনিস পেত না তা দিয়ে সাজানো—নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও উচ্চগতির ইন্টারনেট, কেন্দ্রীয়ভাবে সরবরাহ—আর রপ্তানিমুখী কর্মপরিবেশ দিতে ভর্তুকির দরে সফটওয়্যার ও আইটি-সেবা প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া। পরিচালনায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, অংশীদার সফটওয়্যার সংগঠন বেসিস; বেসিসের নিজের অফিস পঞ্চম তলায়। ২০১০ সালে শিল্প ব্যাংক ও বিএসআরএস মিলে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হলে ভবন হয় বিডিবিএল ভবন, আর ২০১১ সালে ইনকিউবেটর যায় হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষে, যারা একে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক-১ নাম দেওয়ার প্রস্তাব করে। এটি এখনো, আনুষ্ঠানিকভাবে, আইসিটি ইনকিউবেটর, এখনো বেসিসের পরিচালনায়, আর এখনো ভরা: এখন সফটওয়্যার রপ্তানি করা এক প্রজন্মের কোম্পানি শুরু করেছে এতে একটি ডেস্ক নিয়ে।
২০০৩: ডিভি লটারি অনলাইনে
বছরের পর বছর বাংলাদেশিরা মার্কিন ডাইভারসিটি ভিসা লটারিতে আবেদন করতেন কাগজে, ডাকে। ২০০৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে ডিভি-২০০৫-এর আবেদন নেওয়া হয় কেবল অনলাইনে, স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দেশে এর প্রভাব ঝুঁকির ৩,৫০০ ভিসার সঙ্গে সব অনুপাতের বাইরে: কয়েক সপ্তাহে প্রতিটি শহরে ফি নিয়ে ডিজিটাল ছবি ও ফরম পূরণের দোকান, আর অনেকের প্রথম ছোঁয়া কম্পিউটার সেটিই, যা তাঁদের লটারির আবেদন জমা দিল। বাংলাদেশ পরে বেশি অভিবাসী পাঠানোয় লটারি থেকে বাদ পড়ে, কিন্তু সাইবারক্যাফেগুলো থাকে।
১৯৬০: টিম কুক
টিমোথি ডোনাল্ড কুকের জন্ম অ্যালাবামার রবার্টসডেলে ১৯৬০ সালের ১ নভেম্বর। অবার্নের শিল্প প্রকৌশলী, ডিউকের এমবিএ, ১৯৯৮ সালের মার্চে সাপ্লাই চেইন সারাতে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে অ্যাপলে যোগ দেন, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হন, আর ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট স্টিভ জবসের জায়গায় প্রধান নির্বাহী। তাঁর অধীনে অ্যাপলের রাজস্ব দ্বিগুণ, এটি হয় প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি, আর ফোনের পাশাপাশি সেবা ও ঘড়ি বেচতে শেখে। তিনি নাইকি ও ন্যাশনাল ফুটবল ফাউন্ডেশনের বোর্ডেও।
২০০৫: যে এক্সচেঞ্জ থামল
আর ২০০৫ সালের ১ নভেম্বর সফটওয়্যার আপগ্রেডে ঢোকা ত্রুটি টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন সকাল ৯টার শুরুতে থামায়; শেয়ার ও বন্ড লেনদেন হতে পারেনি দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। ১৯৯৯ সালে পুরো ইলেকট্রনিক হওয়ার পর এক্সচেঞ্জের সবচেয়ে খারাপ ব্যর্থতা—যে সপ্তাহে ঢাকার নিজের এক্সচেঞ্জ অনিশ্চিত বয়সের সফটওয়্যারে চলে, স্মারক যে ইনকিউবেটর কোড তৈরি করে আর কোডের পরীক্ষা লাগে।




